
খুলনার চিত্র ডেস্ক:-খুলনায় সহিংসতার ধারাবাহিকতায় একদিনেই আঠারোবেকি নদী থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার এবং পৃথক দুই ঘটনায় দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) এসব ঘটনায় নগর ও জেলায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।সোমবার দুপুরে রূপসা উপজেলার আঠারোবেকি নদীর সিংহের চর এলাকা থেকে মেহেদী হাসান (৩৫) ও রেজাউল করিম (৩০) নামে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা প্রথমে একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে ভাটার সময় পানি কমে গেলে একই স্থানে আরও একটি মরদেহের সন্ধান মেলে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে দুজনই ‘বি কোম্পানি’র সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। পরবর্তী পুলিশি তথ্যে মরদেহ দুটির শরীরে গুলির চিহ্ন পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ ও হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।এর আগে বিকেলে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন ডালমিল মোড় এলাকায় মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জাহিদুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এদিকে, একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে লবণচরা থানার তোতার ব্রিজ এলাকায় রবি নামে এক রিকশাচালক ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হন। তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।এর আগে রোববার সন্ধ্যায় রায়েরমহল এলাকায় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কুপিয়ে হত্যা করা হয় খুলনা মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে। এর একদিন আগে, শনিবার রাতে লবণচরা এলাকায় শহীদুল ইসলাম কলিনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।একের পর এক হত্যা, মরদেহ উদ্ধার ও হামলার ঘটনায় খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত এসব ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
